ভূমিরূপ প্রক্রিয়া ও উদ্ভূত ভূমিরূপ
সৃষ্টির আদিকাল থেকে পৃথিবীতে বেশকিছু ভূগাঠনিক প্রক্রিয়া ভূমিরূপ সৃষ্টি করে চলেছে। তাদের একসঙ্গে ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া বা Geo-Tectonic Processes বলে। গ্রিক শব্দ 'Tecton' বা 'গঠনকারী' থেকেই 'Tectonic' বা ভূ-গাঠনিক' কথাটির উৎপত্তি হয়েছে। ভূমিরূপ প্রক্রিয়া প্রধানত দুই প্রকার ক) ভূ-অন্তঃস্থ প্রক্রিয়া (Endogenetic Processes) এবং খ) ভূ-বহিঃস্থ প্রক্রিয়া (Exogenetic Processes)। ভূমিরূপ গঠনকারী ভূ-আলোড়ন দুই প্রকার ক) মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement), খ) গিরিজনি আলোড়ন (Orogenic Movement)। উচ্চতা, ঢাল, বন্ধুরতা প্রভৃতির পার্থক্য অনুসারে পৃথিবী পৃষ্ঠে ভূমিরূপকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় - ক) পর্বত, খ) মালভূমি, ও গ) সমভূমি। ক) পর্বত (Mountain) - সাধারণভাবে বহুদূর বিস্তৃত ও 900 মিটারের অধিক উচ্চতা বিশিষ্ট ভূ-ভাগকে পর্বত বলে। শৈলশিরা - অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ এবং সংকীর্ণ পর্বত পাহাড় কে শৈলশিরা বল। পার্বত্য উপত্যকা - দুটি পর্বত শৃঙ্গের মাঝখানে ভি আকৃতির মতো নিচু অংশকে বলা হয় পার্বত্য উপত্যকা। পর্বত শ্রেণী - অনেকগুলো পর্বত শৃঙ্গ উপত্যকা অঞ্চল জুড়ে অবস্থান করলে ...